Chobi Mela 11th edition rally and opening ceremony in Dhaka, 16 January 2026
Chobi Mela XI’s ‘𝗿𝗲’ will be open until the 31st of January, 2026 across 5 venues in Dhaka: the Bangladesh National Museum, Bangladesh Shilpakala Academy, Alliance Française de Dhaka, DrikPath Bhobon, and the Bangladesh National Parliament.
শীতের সকালে ফুপাতো ভাই মুকুলের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো যেন অনন্য এক গল্প। আমরা দুজনেই প্রায় সমবয়সী এবং ভালো বন্ধু । গ্রামের বাড়িতে গেলে ওর সঙ্গ খুব উপভোগ করি আমি ।
এবারের ছুটিতে সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার ব্যতিক্রম হয়নি। মুকুল এবং তার পরিবারের অসাধারন আতিথেয়তা আমাদের মুগ্ধ করেছে ।
ভোর বেলায় খেজুর গাছের রস, নানা রকম পিঠা আর মজার মজার টাটকা মাছ- ভাত খেতে অসাধারণ লেগেছে । এর সব কিছুই মাটির চুলায় রান্না করা হতো। মুকুলের দুই ছেলে সাইম এবং রাফি ছিল খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ । সাইম আমাদের জন্য রাতে মাছ দিয়ে বারবিকিউ করেছিল । সেই আয়োজনটা ছিলো খুব সুন্দর ।
ঢেউ- মেঘের জন্য রাতের বেলা গ্রামের পথে ঘুরে বেড়ানো ছিল নতুন এক অভিজ্ঞতা । ঝোনাকি পোকা দেখা, কবরস্থান থেকে শেয়ালের ডাক ভেসে আসা আরো কতো কতো অভিজ্ঞতার ঝুলি ! ওদের সেইসব গল্প না হয় অন্য কোনো এক সময় বলা যাবে ।
As part of the Storytelling class at the final stage of this course, we had a hands-on Photo Editing session. Learning how to edit their own photographs to make visual stories more powerful and meaningful.
Witness My Time” আমার ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের একটি চলমান প্রক্রিয়া, যেখানে আমি আমার সময়ের সাক্ষী হতে চাই। প্রতিটি ছবি একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনের বাস্তবতা ধারণ করে। এই কাজ মূলত একটি ভিজ্যুয়াল ডায়েরি—যেখানে সময়, সমাজ ও মানুষের গল্প নীরবে লিপিবদ্ধ হয়।
আমি বিশ্বাস করি, ফটোগ্রাফি শুধু মুহূর্ত ধরে রাখার মাধ্যম নয়; এটি চিন্তা জাগায়, প্রশ্ন তোলে এবং বাস্তবতাকে নতুনভাবে দেখতে শেখায়। ছবির প্রতিটি ফ্রেমের সঙ্গে একটি প্রসঙ্গ ও দায়বদ্ধতা যুক্ত থাকে, যা একজন ফটোগ্রাফারের নৈতিক অবস্থানকে নির্দেশ করে।
“Witness My Time” তাই শুধু ছবি নয়—এটি সময়ের দলিল, মানুষের সাক্ষ্য এবং ভবিষ্যতের জন্য রেখে যাওয়া এক সত্যের চিহ্ন। আমার এই ছবিটি তুলেছে প্রিয় সন্তান মেঘ । মেঘকে ধন্যবাদ জানাই এই ছবিটি তোলার জন্যে ।
নোট: আমাদের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ছবিটি তোলা । ছবি : মেঘ / ডিসেম্বর ২০২৫, হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ ।
Wishing you a happy and peaceful New Year. May 2026 bring good health and happiness. Looking forward to another year of working together. Happy New Year to all!
সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহর। তাঁর অশেষ রহমতে মেঘ-ঢেউ-এর মা এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো—আলহামদুলিল্লাহ।
তীব্র শীতের সেই মধ্যরাত ! হাসপাতালের ইমার্জেন্সি, উৎকণ্ঠা আর দোয়ায় ভরা সময়—সব মিলিয়ে আমরা তখন এক কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ভোরে আবার অসুস্থতা, ডাক্তার দেখানো, পরীক্ষা-নিরীক্ষা—মনে হচ্ছিল, যেন পুরো পরিবার এক গভীর ট্রমার ভেতর দিয়ে হাঁটছি। বিপদে আল্লার উপর বিশ্বাস এবং ভরসা রেখে ধৈর্য্যর পরীক্ষা দিচ্ছিলাম।
সেই মুহূর্তগুলোতে বারবার মনে পড়ছিল মা-এর কথা। ‘মা’ আমাদের জীবনের—বটবৃক্ষ । যাঁর ছায়ায় সাহস পেয়েছি, শক্তি পেয়েছি। আজ তিনি নেই। এক ঝড়ে সেই বটবৃক্ষ ঝরে গেছে। গতবছর ১৫ মে, ২০২৫। বাবার মারা যাবার পর মা-ই ছিলেন আমাদের পৃথিবী।
সন্তানের অসহায়ত্ব প্রত্যেক মা-বাবা বুঝতে পারেন । মনে হলো—তারা যেন না ফেরার দেশ থেকে আমাদের এই বিপদে এগিয়ে এসেছেন —দোয়া করছেন । মহান আল্লাহর উপর ভরসা এবং বিশ্বাস ছিল, আল্লাহ আমাদের হেফাজত করেছেন । জীবন সুখ-দুঃখের মিশেল, আর সত্য বিশ্বাসই হচ্ছে শক্তি। আল্লাহ যেন আমাদের পরিবারকে ধৈর্য ও সামর্থ্য দান করেন।
এই কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন—আত্মীয়, স্বজন, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ী—সবার প্রতি আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা।
দূরত্ব আসতে পারে, নীরবতা জমতে পারে—তবুও বিপদে প্রকৃত মানুষগুলো পাশে থেকে যায়। সবার জন্য রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া । সবাই ভালো থাকুন ।
ছবি : হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ । ডিসেম্বর ২০২৫ মনিরুল আলম
Inna Lillahi Wa Inna Ilaihi Rajiun BNP Chairperson and former Prime Minister Begum Khaleda Zia , 80 died today (30 December 2025) at 6:00 a.m. at Evercare Hospital. Her personal physician, Prof. AZM Zahid Hossain, confirmed the death.
মায়ের ইন্তেকালের পর আমরা গভীর শোক ও ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে মাকে গোসল করিয়ে ঢাকায় তাঁর প্রথম জানাজা সম্পন্ন করি। সবকিছু যেন অদ্ভুত লাগছিল—বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল যে এটাই মায়ের সঙ্গে আমাদের শেষ আনুষ্ঠানিকতা।
এরপর ভোরের নিস্তব্ধ আলোয় আমরা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই। মায়ের নিথর দেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আমি আর বড় মামা নীরবে বসে ছিলাম। চারপাশের নিস্তব্ধতার মাঝে শুধু বুকভরা কান্না আর অসীম শূন্যতা নিয়ে আমরা মায়ের শেষ যাত্রার সঙ্গী হয়েছিলাম।
আমাদের গ্রামের বাড়ির আঙিনা সেদিন ছিল শোকের নীরবতায় আচ্ছন্ন। মায়ের জানাজার সময় আমাদের সব কাজিন ও আত্মীয়-স্বজনেরা দূর-দূরান্ত থেকে এসে একত্রিত হয়েছিলেন— হিজুলিয়াতে।
সবার চোখে ছিল অশ্রু, হৃদয়ে ছিল গভীর বেদনা—প্রিয় মাকে শেষ বিদায় জানানোর ভারী মুহূর্ত। মেঘ এবং ঢেউয়ের চোখে ছিল গভীর বেদনা তারা তাদের প্রিয় দাদীকে হারিয়ে খুব নীরবে হয়ে গিয়েছিল!
২০২৫ সালের ১৫ মে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে আমাদের প্রাণপ্রিয় মা জননী এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন। তাঁর শূন্যতা আমাদের জীবনে এক অপূরণীয় শূন্যতা হয়ে থাকবে।
এর অনেক আগেই, ১৯৯০ সালের ২০ ডিসেম্বর, আমাদের প্রিয় বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বাবা-মা দু’জনের স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে অমলিন, তাঁদের ভালোবাসা ও আদর্শই আমাদের চলার পথের শক্তি।
Bangladesh celebrated its 54th Victory Day . The Bangladesh Liberation War in 1971 resulted in the independence of Bangladesh from Pakistani occupation after an almost nine-month-long armed conflict.
আমি ঢেউ । আজ আমরা রমনা পার্কে ঘুরতে গিয়েছিলাম। পার্কটি খুব সুন্দর এবং বড় । আমার খুব ভালো লেগেছে । এখানে অনেক ফুল,পাখি এবং অনেক গাছ আছে । একটা সুন্দর লেক আছে।
বাবা বললেন — এটা ঢাকা শহরের প্রাণ । এই পার্কটি অনেক দিন আগে ব্রিটিশরা বানিয়েছিল। এটি ঢাকার মানুষের খুব পছন্দের জায়গা।
আমি সেখানে ঘুরে বেড়িয়েছি। আমার সাথে থাকা ক্যামেরাটি দিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ছবি তুলেছি । আমি একটা গুলো গুলো কাঠবিড়ালির ছবি তুলেছি। আমি এই পার্কে আবার ঘুরতে যেতে চাই, ভাইকে নিয়ে ।
ভাইয়ের পরীক্ষা ছিল তো তাই— সে যাইনি। আমার পরীক্ষা শেষ তাই আমি বাবা-মার সাথে ঘুরতে গিয়েছিলাম।
বাবা— তার canon G-12 ক্যামেরাটি আমাকে দিয়ে দিয়েছেন । এই ক্যামেরাটি দিয়ে কিভাবে ছবি তুলতে হয় সেটাও আমাকে শিখিয়ে দিয়েছেন । আমি এখন এটা দিয়ে ছবি তুলি । ছবি তুলতে আমি ভালোবাসি, যদিও বাবার মতো আমি এখনো ছবি তুলতে পারি না !