Exporters From Japan
Wholesale exporters from Japan   Company Established 1983
CARVIEW
Select Language

পীর শব্দটি ফার্সি। শব্দগতভাবে এর অর্থ হল ‘জ্ঞানবৃদ্ধ’। পারিভাষিক অর্থে যিনি আল্লাহ পাককে পাইয়ে দেবার ক্ষেত্রে বা আল্লাহ পাক এর সাথে রূহানী সংযোগ করে দেয়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ, উনাকেই পীর সাহেব বলা হয়। কুরআন শরীফ ও হাদিছ শরীফে যাদের আউলিয়া, মুর্শিদ ও শায়খ বলা হয়েছে, ফার্সিতে তাদের পীর সাহেব বলা হয়।

 

ফার্সি ভাষার শব্দ ‘পীর’ কেন বাংলায় ব্যবহার হচ্ছে?

পাক ভারতে ইসলামের প্রচার-প্রসার তথা স্থানীয় বিধর্মীদের মুসলমান হওয়ার ক্ষেত্রে ফার্সি ভাষাভাষি আউলিয়ায়ে কিরামদের ভূমিকাই মুখ্য। যে কারণে এ স্থানে মুসলমানদের বন্দিগী জীবনে ফার্সির অনেক পরিভাষাই ব্যবহৃত হয়। আরবী সালাত, সাওম এর পরিবর্তে যেরূপ ফার্সি নামায, রোযা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই পীর শব্দের সাথে এলার্জি থাকার আর কোন কারণ দেখছি না।

এবার তাহলে পীর সাহেবদের প্রসঙ্গে আসি। দ্বীন ইসলামে পীর সাহেবদের কেন প্রয়োজন?

কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক বলেন, “প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য হাদী বা হেদায়েতকারী রয়েছে।” (সূরা রাদ-৭)

এখন মানুষদেরকে হেদায়েত করার যুগে যুগে নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ প্রেরিত হয়েছিলেন। কিন্তু নবী রসূল আসার পথ তো বন্ধ হয়ে গেছে। তাহলে কি হাদীগণেরও আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে? না, বন্ধ হয় নি; নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরে যুগে যুগে আউলিয়া কিরামগণই হাদী হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত রাখবেন। আর সেই আউলিয়া কিরাম, ওলী-আল্লাহগণকেই উনার মুরীদদের নিকট পীর সাহেব বলা হয়।

আচ্ছা, তাহলে যে কেউই কি পীর সাহেব দাবী করে অন্যদেরকে মুরীদ করতে পারে?

জি না। নিজেই ওলী-আল্লাহর দরজায় না পৌঁছতে পারলে অপরকে ওলী-আল্লাহ হওয়ার পথ দেখাবে কি করে! কেউ যদি এরূপ করে, তবে সেক্ষেত্রে সে ভন্ড, প্রতারক, মুনাফিক। আর আপনি বা ভন্ডামীর জালে জড়াবেন কেন?

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা কিরূপ লোক থেকে দ্বীন (ইলম বা নছীহত) গ্রহণ করছো, তা ভালরূপে লক্ষ্য করো।” (মুসলিম, তিরমিযী, মিশকাত শরীফ ) ।
যিনি হক্কানী পীর ছাহেব হবেন, উনাকে অবশ্যই আলিম হতে হবে। অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাসাউফ-এর অধিকারী হতে হবে এবং সে অনুযায়ী আমলও থাকতে হবে। যার তার হাতে বাইয়াত হওয়া যাবে না।

তাহলে পীর সাহেবের কি কি বিষয় দেখে বাইয়াত হতে হবে?

বাইয়াত হওয়ার পূর্বে যে বিষয়গুলো তাহক্বীক বা যাচাই-বাছাই করতে হবে সেগুলো হলো,

(১) যার কাছে বাইয়াত হবে তিনি কোন হক্কানী পীর ছাহেবের তরফ থেকে খিলাফতপ্রাপ্ত কিনা।
(২) আক্বীদা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অনুরূপ কিনা।
(৩) আমলের দিক থেকে সুন্নতের পাবন্দ কিনা।
(৪) ইলমের দিক থেকে এতটুকু ইলমের অধিকারী কিনা- যার দ্বারা নিজেকে এবং অধীনস্থ মুরীদদেরকে বিদয়াত-বেশরা তথা কুফরী- শেরেকী থেকে ফিরিয়ে হক্ব মতে-পথে দায়িম-কায়িম রাখতে পারেন।
মুরীদ হওয়ার পরে কোন প্রকার চু-চেরা, কিল ও কাল অর্থাৎ কোন বিষয়ে কি, কেন বলতে পারবে না। বিনা প্রশ্নে সব বিষয় মেনে নিতে হবে। কেননা, মুরীদ তাছাউফের রাস্তায় নাবালক, আর পীর সাহেব সে পথের দিশারী। তবে হ্যাঁ, কোন বিষয় বুঝে না আসলে আদবের সহিত জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবে। মনে রাখতে হবে, বেয়াদব আল্লাহ পাকের রহমত থেকে বঞ্চিত।

]]> https://awliya.wordpress.com/2016/02/18/%e0%a6%aa%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%95%e0%a6%bf/feed/ 0 104 islamicdocuments পবিত্র লাইলাতুর রাগায়িব শরীফ উনার মহত্ত্ব ও বড়ত্ব https://awliya.wordpress.com/2016/01/12/%e0%a6%aa%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ac/ https://awliya.wordpress.com/2016/01/12/%e0%a6%aa%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ac/#respond Tue, 12 Jan 2016 08:59:23 +0000 https://awliya.wordpress.com/?p=101 رغائب (রগায়িব) শব্দ মুবারকটি رغيب উনার বহুবচন। যার অর্থ কাঙ্খিত বিষয়, প্রচুর দান। (মিছবাহুল লুগাত-২৯৮)
পারিভাষিক বা ব্যবহারিক অর্থে- আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মুবারক রাত্রিতে উনার আম্মা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ কুদরতীভাবে তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন সেই মুবারক রাতকে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ বলা হয়।
মধ্যরাতের পর থেকে ছুবহে ছাদিকের পূর্ব পর্যন্ত এই সময়ের মধ্যে তিনি তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। যা তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত বা সময়। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “তাহাজ্জুদ নামায সমাপান্তে নিজ আহলিয়া উনার সাথে নিরিবিলি অবস্থান খাছ সুন্নত বা সর্বোত্তম সময়।”


হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “তোমরা পবিত্র রজব মাস উনার প্রথম জুমুয়াহ শরীফ সম্মানিত রাতটি গাফলতির সাথে অতিবাহিত করো না। কারণ হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ওই সম্মানিত রাত উনাকে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ নামে আখ্যায়িত করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!
আর ওই মুবারক রাতটি যখন এক তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হয় তখন আসমান-যমীনে যত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম আছেন উনারা সবাই পবিত্র কা’বা শরীফ-এ এবং উনার আশপাশে উপস্থিত হন। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের প্রতি সম্বোধন করে বলেন, ‘হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনাদের যা ইচ্ছা তা প্রার্থনা করতে পারেন। আমি অবশ্যই কবুল করবো।’ হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ উনারা তখন বলেন, ‘হে মহান আল্লাহ পাক! আমাদের প্রার্থনা এই যে, যারা পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসে রোযা রাখবে তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন।’ তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম।’ (গুনিয়াতুত ত্বলিবীন ৩৩১)
মুহইউস সুন্নাহ ওয়াশ শরীয়াহ, মাহিউল বিদয়াত ওয়াদ দলালাহ, কাশিফুল আসরার খফী ওয়াল জলী হযরত মাওলানা শাহ কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব, “বারাহীনুল ক্বতইয়াহ ফী মাওলিদী খাইরিল বারীয়াহ” উনার ৭৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন হযরত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ উনাকে পবিত্র শবে বরাত ও পবিত্র শবে ক্বদর উনাদের চেয়ে অধিক শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাসম্পন্ন বলে ফতওয়া দিয়েছেন। কারণ পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ১ম জুমুয়াহ শরীফ রাতে যেরূপ রহমত, বরকত, বুযূর্গী, সম্মান, দয়া-দান, ইহসান ও সৌভাগ্য সারা কায়িনাত এবং মু’মিনগণ পেয়ে থাকেন, এবং তাদের উপর বর্ষিত হতে থাকে তা অতীতে কোনো সময়ে হয়নি; এমনকি ক্বিয়ামত পর্যন্ত অন্য কোনো সময় তা হবে না। সুবহানাল্লাহ!
এ কারণে এই পবিত্র রাত (পবিত্র লাইলাতুর রাগায়িব শরীফ)কে, পবিত্র শবে ক্বদর, পবিত্র শবে বরাত হতে অত্যধিক ফযীলতপূর্ণ বলে গণ্য করতে হবে। এ মতের সমর্থনে হক্কানী-রব্বানী আলিমগণ উনারা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।(মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়া শরীফ, ১/২৬ পৃষ্ঠা)
মুহইস সুন্নাহ ওয়াশ শরীয়াহ, মাহিউল বিদয়াত ওয়াত দালালহ, কাশিফে আসরারে খফী ওয়া জলী হযরত মাওলানা শাহ কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘বারাহিনুল ক্বতইয়াহ ফী মাওলিদি খাইরিল বারিয়াহ’ উনার ৭৮ পৃষ্ঠায় আরো উল্লেখ করেছেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে যে, এই সম্মানিত রাতে মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে ও হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের জগতে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, পবিত্রতম নূর মুবারক দ্বারা সারা কায়িনাত (জগৎ) আলোকিত করে দাও। তাই আসমান-যমীনের সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা মহাখুশিতে বিভোর হয়ে গিয়েছিলেন। সর্বোত্তম জান্নাত জান্নাতুল ফিরদাউসের দরজা খুলে দেয়ার জন্য জান্নাতের দ্বাররক্ষী হযরত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। সারা কায়িনাতকে বিভিন্ন প্রকার খুশবু দ্বারা সুগন্ধিযুক্ত করার হুকুম ছিল। আকাশের সকল স্তরে এবং পৃথিবীর সকল ঘরে ঘরে সুসংবাদ দেয়া হয়েছে যে, ‘নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মুবারক রাতে উনার আম্মা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত মা আমিনা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ তাশরীফ নিবেন। তিনি তো সবকিছুর মূল। অর্থাৎ উনাকে উপলক্ষ করে সারা কায়িনাতের সবকিছুই সৃষ্টি করা হয়েছে। আর তিনি সব রহমত, বরকত, মাগফিরাত সাকীনাহ, সম্মান, মর্যাদা-মর্তবা, নূর, গুপ্ত রহস্যাবলী, হাক্বীক্বত, মারিফাত, মুহব্বত জাহির বা প্রকাশিত হওয়ার মূল উৎস। গোটা সৃষ্টি জগৎ উনার পবিত্র অজুদ পাক বা মুবারক অস্তিত্ব মুবারক হতে সৃষ্টি হয়েছে এবং যিনি সমস্ত আদম জাতির মূল। তিনি অচিরেই দুনিয়াতে মুবারক তাশরীফ নিবেন। সারা কায়িনাতকে তিনি সম্মান-মর্যাদা দ্বারা খুশি ও আনন্দিত করবেন।’ সুবহানাল্লাহ! (মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়া শরীফ, ১/১৯, সীরাতে ইবনে হিশাম, ১/১৪৫)
মুহইস সুন্নাহ ওয়াশ শরীয়াহ, মাহিউল বিদয়াত ওয়াদ দালালাহ, কাশিফে ইসরারে খফী ওয়া জলী হযরত মাওলানা শাহ কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে যে, ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ এবং ঊষাকালে সকল মূর্তি উপুড় হয়ে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়াতে মুবারক তাশরীফ আনয়নের দিন যেভাবে শয়তানগুলোকে আকাশে উঠার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ উনার মধ্যেও ঠিক সেই ধরনের অসংখ্য-অগণিত আশ্চর্যজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল। দুনিয়ার এমন কোনো বাদশাহের সিংহাসন ছিল না, যা ওই রাতে উল্টে পড়েনি। উক্ত রাতে প্রতিটি ঘর আলোকময় হয়েছিল। সেই রাতে সকল জীব-জন্তু কথা বলতে পেরেছিল। এমনকি পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের পশু-পাখিরা পর্যন্ত খুশি ও সুসংবাদ বাণী পরস্পর বিনিময় করেছিল। (আল বারাহীনুল ক্বতইয়াই ফী মাওলিদি খাইরিল বারিয়াহ ৭৯)
তিনি সেখানে আরো উল্লেখ করেন যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার আম্মা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক আনার পূর্বে কুরাইশরা বড় কঠিন দুর্ভিক্ষ ও অভাবে কষ্ট পেতে ছিল। বৃষ্টির অভাবে গাছের পাতাগুলো শুকিয়ে গিয়েছিল। আর সমস্ত জীব-জন্তু এবং গৃহপালিত পশু-পাখিগুলো অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
কিন্তু আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক আনার সাথে সাথে আমূল পরিবর্তন হয়ে গেল। মহান আল্লাহ পাক তিনি মুষলধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করলেন। রহমত উনার বৃষ্টি সকল গাছপালা, তৃণলতাকে নতুনভাবে সবুজ ও তরুতাজা করে দিলো। সুবহানাল্লাহ! (মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়া শরীফ, ১/১৯, সীরাতে হালাবিয়া ১/৪৮, বারাহীনুল ক্বতইয়াহ ৮১, সীরাতে ইবনে হিশাম, ১/১৪৫)
মুহইস সুন্নাহ ওয়াশ শরীয়াহ, মাহিউল বিদয়াত ওয়াদ দালালাহ, কাশিফে ইসরারে খফী ওয়া জলী হযরত মাওলানা শাহ কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘আল বারাহীনুল ক্বতইয়াই ফী মাওলিদি খাইরিল বারিয়াহ’ কিতাবে আরো উল্লেখ করেছেন যে- আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিতা আম্মা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, “আমি সে সময় ঘুম ও জাগ্রতের মাঝামাঝি অবস্থায় ছিলাম। এমন সময় একজন লোক এসে আমাকে বললেন, হে হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম! আপনি মানব জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব উনাকেই ধারণ করেছেন। উম্মে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম তিনি বলেন- এর পূর্বে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনাকে যে আমি ধারণ ও গ্রহণ করেছি তা বুঝতে পারিনি। সুবহানাল্লাহ!
অপর বর্ণনায় এসেছে, সমস্ত সৃষ্টির সর্বোত্তম ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই উনার স্থান উনাকেই আপনি মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ ধারণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি আরো বলেন, সেই দিনই আমার বিশ্বাস হয়েছে যে- আমি সন্তানসম্ভাবা। (আল বারাহিনুল ক্বতইয়াহ, ৮৪)
হযরত আবূ নাঈম ইস্পাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম উনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন যে, আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিতা মাতা উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক গ্রহণের দিনের নিদর্শন হচ্ছে যে, সেই মুবারক রাতে কুরাইশদের সমস্ত গৃহপালিত পশুগুলি একটি অন্যটির নিকট বলাবলি করেছিল যে, পবিত্র কা’বা শরীফ উনার রব উনার কসম! এই রাতে এমন একজন রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিতা মাতা আলাইহাস সালাম উনার খিদমত মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক এনেছেন। যিনি হচ্ছেন- সমস্ত কায়িনাতের ইমাম এবং দুনিয়াবাসী সকলের আলোর দিশারী তথা পথপ্রদর্শক। সুবহানাল্লাহ! (আল বারাহীনুল ক্বাতইয়াহ ৮৩)

https://al-ihsan.net/FullText.aspx?subid=2&textid=11653

]]>
https://awliya.wordpress.com/2016/01/12/%e0%a6%aa%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ac/feed/ 0 101 islamicdocuments
লা-মাযহাবীদের আতঙ্ক হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বুযূর্গী https://awliya.wordpress.com/2016/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4/ https://awliya.wordpress.com/2016/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4/#respond Mon, 11 Jan 2016 03:53:26 +0000 https://awliya.wordpress.com/?p=98

হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভাই ইন্তিকাল করলে সেখানে হযরত ইমামে আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাশরীফ নিলেন। হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখলেন তখন তিনি ভরা মজলিসে অত্যন্ত তাযীম-তাকরীমের সাথে ক্বিয়াম করলেন তথা দাঁড়িয়ে গেলেন। অতঃপর উনার সাথে মুআনাকা করলেন এবং উনাকে নিজ আসনে বসালেন।
হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার এত তাযীম-তাকরীম দেখে মজলিসে উপস্থিত আবু বকর আইয়াশ নামে একজন ব্যক্তি বললো- হে আব্দুল্লাহ, আজ আপনাকে এমন এক কাজ করতে দেখলাম যা আমিও পছন্দ করিনি আমাদের সাথীরাও পছন্দ করেনি।
তিনি বললেন, সেটা কী?
আবু বকর আইয়াশ বললেন, ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি উনার আগমনে আপনি উনার জন্য ক্বিয়াম করলেন দাঁড়িয়ে গেলেন, নিজের আসন ছেড়ে দিয়ে সেই আসনে উনাকে বসালেন এবং উনাকে অত্যন্ত উঁচু সম্মান দিলেন অথচ তিনি তো আমাদের নিকট অস্বীকৃত?
জবাবে হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আপনি উনার কী অস্বীকার করবেন? হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি তিনি তো ইলমের এমন এক স্থানে আছেন যে- যদি আমি উনার ইলমের কারণে না ক্বিয়াম করি তবে উনার বয়সের কারণে ক্বিয়াম করতে হয়, যদি উনার বয়সের কারণে না ক্বিয়াম করি তবে উনার ফিক্বাহ’র কারণে ক্বিয়াম করতে হয়, যদি উনার ফিক্বাহ’র কারণে না ক্বিয়াম করি তবে উনার পরহেজগারীর কারণে ক্বিয়াম করতে হয়। সুবহানাল্লাহ!
(আত্ তাবাকাতুস ছানিয়্যাহ- খন্ড-১, পৃ. ৮৬, তারীখে বাগদাদ- খন্ড-১৩, পৃ. ৩৪১)
]]>
https://awliya.wordpress.com/2016/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4/feed/ 0 98 islamicdocuments
হযরত রবি বিন সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হজ্জের পাথেয় আওলাদে রসূল উনাদের খিদমতে পেশ এবং একটি আত্ম উপলদ্ধি https://awliya.wordpress.com/2016/01/07/%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae/ https://awliya.wordpress.com/2016/01/07/%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae/#respond Thu, 07 Jan 2016 05:55:56 +0000 https://awliya.wordpress.com/?p=96 হযরত রবি বিন সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার হজ্জ পালনের সমস্ত পাথেয় (৬০০ দিরহাম) এক আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিবার-পরিজন, যাঁরা সাময়িকভাবে অস্বচ্ছলতাকে উনাদের জীবনে গ্রহণ করেছিলেন, উনাদের খিদমতে পেশ করে দেন এবং উনার নফল হজ্জ পালন থেকে বিরত থাকেন। এর ফলশ্রুতিতে আওলাদের রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিবারের ৫ জন সদস্য উনাদের সাথে সাথে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং হযরত রবি বিন সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জন্য দোয়া করেন। এতে মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত রবি বিন সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছূরতে একজন ফেরেশতা সৃষ্টি করে ক্বিয়ামত পর্যন্ত উনার পক্ষ থেকে হজ্জের ব্যবস্থা করে দিলেন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে ৬০০ দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা)-এর পরিবর্তে ৬০০ দিনার (স্বর্ণ মুদ্রা) হাদিয়া দিলেন। আর আখিরাতের বদলা তো রয়েই গেল।
তাহলে, হযরত রবি বিন সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খিদমতে যদি ফরয হজ্জ আদায়ের পাথেয় পেশ করতেন তাহলে তার বদলা কি হতে পারতো?
ঠিক একইভাবে, বর্তমানে ফরয হজ্জ সাকিত-এর এই যামানায় কেউ তার হজ্জে যাওয়ার সমস্ত পাথেয় সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ উপলক্ষে আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদ আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পূতঃপবিত্রতম ক্বদম মুবারক-এ পেশ করে তবে তার বদলা কি হতে পারে?

]]>
https://awliya.wordpress.com/2016/01/07/%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae/feed/ 0 96 islamicdocuments
৩৬০ জন হযরত আউলিয়াকিরাম রহমতুল্লাহিআলাইহি নাম মুবারক উনাদের তালিকা প্রকাশ করা হল। https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/%e0%a7%a9%e0%a7%ac%e0%a7%a6-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b0/ https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/%e0%a7%a9%e0%a7%ac%e0%a7%a6-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b0/#respond Wed, 06 Jan 2016 03:55:44 +0000 https://awliya.wordpress.com/?p=93 360

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ, আলাইহিছ ছলাতু ওয়াছ সালাম উনার  মুবারক সম্মানার্থে হযরত শাহ জালাল ইয়ামনী রহমতুল্লাহিসহ সেই ৩৬০ জন হযরত আউলিয়াকিরাম রহমতুল্লাহিআলাইহি নাম মুবারক উনাদের তালিকা প্রকাশ করা হল।

 ০১। হযরত শাহ জালাল ইয়ামনী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০২।  হযরত শাহ্ পরান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৩।  হযরত শাহ্ জাদ আলী ইয়ামনী (১ম)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৪।  হযরত আলী ইয়ামনী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৫। হযরত আরিফ ইয়ামানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৬।  হযরত কামাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৭।  হযরত মুহম্মদ আইয়ুব ইয়ামানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৮।  হযরত শাহ্ তাজ উদ্দিন কোরেশী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

০৯।  হযরত শাহ্ হেলিম উদ্দিন কোরেশী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০।  হযরত শাহ দাউদ কোরেশী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১।  হযরত চাশনী পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২।  হযরত যাকারিয়া আরবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩।  হযরত জৈন উদ্দিন আব্বাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪।  হযরত নিজাম উদ্দিন বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫।  হযরত খাজা অজীহ উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬।  হযরত খাজা আজিজ চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭। হযরত আমীর উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮। হযরত খাজা আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯।  হযরত খাজা আদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০।  হযরত খাজা আদিনা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১।  হযরত খাজা ইসা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২। হযরত খাজা ইকবাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩।  হযরত খাজা ইখতিয়ার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪। হযরত খাজা উমর চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫।  হযরত খাজা তৈয়ব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬।  হযরত খজা দাউদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭। হযরত খাজা নাসি উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮।  হযরত খাজা নাসির উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯। হযরত খাজা পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০।  হযরত খাজা বুরহান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১।  হযরত খাজা বাহাউদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২।  হযরত খাজা সেলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩।  হযরত খাজা সুফিয়ার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪।  হযরত খাজা সিরাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫।  হযরত হযরত সৈয়দ আজীজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৬।  হযরত হযরত সৈয়দ আজীরান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৭।  হযরত সৈয়দ আলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৮।  হযরত সৈয়দ আহমদ কবির রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৯।  হযরত সৈয়দ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪০।  হযরত সৈয়দ আহমদ (২য়)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪১।  হযরত সৈয়দ আব্বাস রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪২।  হযরত সৈয়দ আবু রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৩।  হযরত সৈয়দ আবু বকর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৪।  হযরত সৈয়দ আব্দুল করীম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৫।  হযরত সৈয়দ আজিয়াল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৬।  হযরত সৈয়দ ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৭।  হযরত সৈয়দ ইয়াকুব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৮।  হযরত সৈয়দ ইসা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪৯।  হযরত সৈয়দ উমর সমরকন্দি রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫০।  হযরত সৈয়দ ওসমান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫১।  হযরত সৈয়দ কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫২।  হযরত সৈয়দ কুতুব উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৩।  হযরত সৈয়দ কাসিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৪।  হযরত সৈয়দ খলিল উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৫।  হযরত সৈয়দ জাহান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৬।  হযরত সৈয়দ জওয়াহীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৭।  হযরত সৈয়দ জলীল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৮।  হযরত সৈয়দ জমিল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫৯।  হযরত সৈয়দ জাহাঙ্গীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬০।  হযরত সৈয়দ তাজ উদ্দিন শাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬১।  হযরত সৈয়দ দৌলত রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬২।  হযরত সৈয়দ দৌলত রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৩।  হযরত সৈয়দ নাসির  রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৪।  হযরত সৈয়দ নসর উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৫।  হযরত সৈয়দ ফখরুদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৬।  হযরত সৈয়দ ফরিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৭।  হযরত সৈয়দ বদর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৮।  হযরত সৈয়দ বদরুদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬৯।  হযরত সৈয়দ বাহাউদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭০।  হযরত সৈয়দ বাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭১।  হযরত সৈয়দ বায়োজিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭২।  হযরত সৈয়দবুজুগ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৩।  হযরত সৈয়দ মুনইম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৪।  হযরত সৈয়দ মোখতার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৫।  হযরত সৈয়দ  মুহব্বত রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৬।  হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৭।  হযরত সৈয়দ মুহম্মদ গজনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৮।  হযরত সৈয়দ মুহামদ জান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭৯।  হযরত সৈয়দ রওশন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮০।  হযরত সৈয়দ রুকুনুদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮১।  হযরত সৈয়দ সয়েফ উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮২।  হযরত সৈয়দ সিকান্দার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৩।  হযরত সৈয়দ সিকান্দার (২য়)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৪।  হযরত সৈয়দ লাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৫।  হযরত সৈয়দ হামাজা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৬।  হযরত কাজী  আমি ইদ্দন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৭।  হযরত কাজী আলীম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৮। হযরত কাজী জালাল উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৮৯।  হযরত কাজী ওমর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯০।  হযরত কাজী জাহান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯১।  হযরত কাজী তাজউদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯২।  হযরত কাজী ফয়জুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৩।  হযরত কাজী ফৈয়াজ উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৪।  হযরত কাজী ফিরোজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৫।  হযরত কাজী ফকীর উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৬।  হযরত গাজী মুলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৭।  হযরত কাজী জয়েব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৮।  হযরত হাজী গাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯৯।  হযরত হাজী ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০০। হযরত হাজী আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০১। হযরত হাজী আহমদ (২য়)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০২। হযরত হাজী খলীল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৩। হযরত হাজী কিজির রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৪। হযরত হাজী মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৫। হযরত হাজী মুহম্মদ জাকারিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৬। হযরত হাজী সমশেদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৭। হযরত হাজী মুহম্মদ দরিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৮। হযরত হাজী মুহম্মদ শরীফ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০৯। হযরত হাজী লতিফ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১০। হযরত হাজী ওমর চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১১। হযরত হাজী কাশেম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১২। হযরত হাজী গয়লা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৩। হযরত শাহ চাঁদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৪। হযরত শাহ চট রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৫। হযরত শাহ কামাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৬। হযরত শাহ নূর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৭। হযরত শাহ কালু রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৮। হযরত মদন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১৯। হযরত শাহ ফরাঙ্গ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২০। হযরত শাহ মালুম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২১। হযরত শাহ রফীউদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২২।  হযরত শাহ শমস উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৩। হযরত শাহ সনজর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৪।  হযরত শাহ সদর উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৫। হযরত শাহ সিকান্দার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৬। হযরত শাহসোনদার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৭।  হযরত শাহ বাজ আনসারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৮। হযরত আরেফীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২৯। হযরত শাহ বদর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩০। হযরত শাহ মাহমুদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩১। হযরত শাহ সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩২। হযরত শাহ সাইদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৩। হযরত শাহ বাগদাদ আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৪। হযরত শাহ দুধ মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৫। হযরত শাহ জামাল উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৬। হযরত শাহ পাতা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৭। হযরত শেখ  জামাল উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৮। হযরত শেখ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩৯। হযরত সৈয়দ হোসেন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪০। হযরত সৈয়দ আমীল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪১। হযরত শেখ আসগর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪২।  হযরত শেখ আব্দুল ফজর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪৩। হযরত শেখ আব্দুল আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪৫। হযরত শেখ আব্দুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪৬। হযরত শেখ ইলিয়াস রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪৭।  হযরত শেখ ইসা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪৮। হযরত শেখ ওমর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪৯। হযরত শেখখাজা ওমর জাহান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫০। হযরত শেখ ওসমান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫১। হযরত শেখ কুতুব উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫২। হযরত শেখ কালু রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৩। হযরত শেখ খিজির খাসদবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৪। হযরত শেখ খিজির রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৫। হযরত শেখ গরীব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৬। হযরত শেখ জকাই রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৭। হযরত শেখ জামাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৮। হযরত শেখ জামিল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫৯। হযরত শেখ জিয়া উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬০। হযরত শেখ তাহির রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬১। হযরত শেখ নসরত রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬২। হযরত শেখ নিয়ামত উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৩। হযরত শেখ মুসা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৪। হযরত শেখ মুহম্মদ  কিবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৫। হযরত শেখ মুহম্মদ কমর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৬। হযরত শেখমুহম্মদ দানা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৭। হযরত শেখ শমস রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৮। হযরত শেখ সফর উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬৯। হযরত শেখ সাহদা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭০। হযরত শেখ সাবু রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭১। হযরত শেখ সলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭২।  হযরত শেখ সলেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৩। হযরত শেখ সিরাজ উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৪।  হযরত শেখ সদর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৫। হযরত শেখ হেলিম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৬। হযরত শেখ হোসেন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৭।  হযরত শেখ হোসেন (২য়)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৮। হযরত আজিজ চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৭৯। হযরত হাফেজ আতা উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮০। হযরত ইমাম শুকুর উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮১। হযরত মুজাফফর বিহারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮২। হযরত মুহম্মদ বিহারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৩। হযরত হেলিম উদ্দিন বিহারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৪। হযরত হাসান উদ্দিন বিহারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৫। হযরত আদম বাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৬। হযরত আজিজ আশকারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৭। হযরত আরিফ মুলতানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৮। হযরত আলাউদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৯। হযরত আহমদ আব্বাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯০। হযরত আহমদ নিশান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯১। হযরত আবু তোরাব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯২। হযরত আবুল হাসান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৩। হযরতআবুল খায়ের রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৪। হযরত আবুল আরিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৫। হযরত আবু বকর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৬। হযরত আব্দুল আজিজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৭। হযরত আব্দুল জলিল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৮। হযরত আব্দুল মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯৯। হযরত আব্দুল শুকুর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০০। হযরত আব্দুল হেলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০১। হযরত আব্দুর রহিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০২।  হযরত আব্দুল মালী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৩। হযরত আব্দুল আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৪।  হযরত মুহম্মদ আনসারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৫। হযরত আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৬। হযরত মুহ্মদ আশিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৭।  হযরত মুহম্মদ মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৮। হযরত মুহম্মদ ইয়াসিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০৯। হযরত মুহম্মদ শহীয়াল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১০। হযরত মুহম্মদ সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১১। হযরত মুহম্মদ সেলাদার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১২।  হযরত মুহম্মদ জানেদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৩। হযরত মুহম্মদ তকী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৪।  হযরত মুহম্মদ নূর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৫। হযরত মুহম্মদ লতীফ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৬। হযরত মুহম্মদ সাহাবানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৭।  হযরত মুহম্মদ হাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৮। হযরত মুহম্মদ সিকন্দর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১৯। হযরত মুহম্মদ শাহ বাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২০।  হযরত শুজা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২১।  হযরত মুহম্মদ নকী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২২।  হযরত মুহম্মদ কাবেরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৩। হযরত মুহম্মদ দরিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৪।  হযরত মুহম্মদ মিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৫।  হযরত মুহম্মদ সৈয়দ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৬। হযরত মাওলানা কিয়াম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৭।  হযরত মখদুম হাবীব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৮। হযরত মখদুম রহিম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২৯। হযরত মখদুম নিজাম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩০। হযরত মখদুম জাফর গজনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩১। হযরত মসদুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩২। হযরত মসউদ মূলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৩। হযরত মহী উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৪। হযরত মহীব আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৫। হযরত মওদ্দোদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৬। হযরত মারুফ সেলাদার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৭। হযরত বুরহান উদ্দিন বুরহান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৮। হযরত বুরহান উদ্দিন আহম্মদ  রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩৯। হযরত বুরহান উদ্দিন কাত্তাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪০।  হযরত বদর মূলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪১।  হযরত দায়দ মুলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪২।  হযরত তাজমুলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৩। হযরত জয়েদ উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৪।  হযরত জয়েদ উদ্দিন আব্বাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৫।  হযরত জিয়া উদ্দিন মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৬। হযরত জিয়া উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৭।  হযরত জিন্দা পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৮। হযরত জুনায়েত গুজরাতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪৯। হযরত ইসমাইল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫০। হযরত ইশা চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫১। হযরত ইমাম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫২।  হযরত এতিম শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৩। হযরত ক্বারী এহিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৪।  হযরত ওসমান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৫। হযরত ওসমান উদ্দিন (২য়)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৬। হযরত ওমর দরিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৭।  হযরত করীম দাদ রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৮। হযরত কামাল উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫৯। হযরত কালা মিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬০। হযরত কুতুব আলম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬১। হযরত কাসিম দক্ষিগী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬২। হযরত গরীব খাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৩। হযরত গণি মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৪। হযরত গয়বী পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৫। হযরত গোলাম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৬। হযরত দেলওয়ার খতীব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৭। হযরত দাওর বখত খতীব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৮। হযরত দাদা পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬৯। হযরত দৌলত গনী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭০।  হযরত দৌলত গাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭১।  হযরত দৌরত মুনিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭২।  হযরত নূহ মূলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৩। হযরত নুরুল উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৪।  হযরত নরুল হুদা রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৫।  হযরত নূর আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৬। হযরত নিজাম উদ্দিন কিরমানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৭।  হযরত নিমাজ উদ্দিন বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৮। হযরত পীর আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭৯। হযরত পীল মূলক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮০। হযরত জিয়া উদ্দিন প্রমূখ পীর পাঞ্জাতন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮১। হযরত জিয়া উদ্দিন প্রমূখ পীর পাঞ্জাতন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮২। হযরত জিয়া উদ্দিন প্রমূখ পীর পাঞ্জাতন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৮৩। হযরত জিয়া উদ্দিন প্রমূখ পীর পাঞ্জাতন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮৪। হযরত পর্বত গান পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮৫। হযরত ফরিদ আনসারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮৬। হযরত ফরিদ রওসন চেরাগ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮৭। হযরত ফতেহ গাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮৮। হযরত হযরত ফিরোজ আজবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮৯। হযরত ফরু জায়েদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯০। হযরত দেওয়ান ফতেহ মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯১। হযরত আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯২। হযরত  খান্ডা ঝকমক  রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৩। হযরত তিব সালামী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৪। হযরত আবু দৌলদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৫। হযরত বাহার আশকারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৬। হযরত রুকুনুদ্দিন আনসারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৭। হযরত সুলতান শাহ সিকান্দার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৮। হযরত কিকান্দার তবলিয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯৯। হযরত সোনা গাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০০। হযরত সোহাব উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০১। হযরত সালেহ মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০২। হযরত সিকান্দার সলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৩। হযরত লাল সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৪। হযরত উল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৫। হযরত হাবীব গাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৬। হযরত হাফেজ মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৭। হযরত হেলিম উদ্দিন নূরনানি রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৮। হযরত হামিদ ফরুকি রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০৯। হযরত হায়দার গাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১০। হযরত হাসেম চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১১। হযরত মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১২। হযরত হুয়ান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৩। হযরত হিমান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৪। হযরত হাসান শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৫। হযরত হাফেজ ফসী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৬। হযরতগোলাম (২য়)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৭। হযরত সূফী হোসেন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৮। হযরত দেওয়ান খলীল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১৯। হযরত হাজী জমশেদ খতীব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২০। হযরত শেখ নসর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২১। হযরত মখদুম সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২২। হযরত শাহ্ দেওয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৩। হযরত শরীফ আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৪। হযরত লাল সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৫। হযরত সুফী হোসেন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৬। হযরত  মাদু সৈয়দ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৭। হযরত গরম দেওয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৮। হযরত মোকতার সহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২৯। সামসুদ্দিনীন বিহারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩০। হযরত দরিয়া পীর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩১। হযরত সৈয়দ বুরুজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩২। হযরত উজরান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৩। হযরত হাসামদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৪। হযরত হাইবুল্লাহ খতীব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৫। হযরত খাজা ইউবুদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৬। হযরত মারুফ সিলাদার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৭। হযরত মুহম্মদ সিরাদর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৮। হযরত ফরিদ উদ্দিন রৌশন সিরাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩৯। হযরত মাওলানা কিয়াম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪০। হযরত তাজ মালী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪১। হযরত খাজা পায়ার রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪২। হযরত শেখ বেজ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৩। হযরত আদম খাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৪। হযরত ইমাম উদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৫। হযরত মুহম্মদ আইয়ুব ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৬। হযরত জামিল রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৭। হযরত হামিদ উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৮। হযরত জিয়া উদ্দি আহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪৯। হযরত সয়দ আব্দুল করীম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫০। হযরত হযরত গনী আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫১। হযরত তৈয়ব সেলামী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫২। হযরত আমিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৩। হযরত শেখ শাহ ফেনি রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৪। হযরত হাজী শরীফ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৫। হযরতশাহ গিয়াস আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৬। হযরতমুহম্মদ নকী বাবু দৌলত রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৬। হযরত হাফিজ মুহম্মদ  রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৮। হযরত শাহ বাবা মিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫৯। হযরত বন্ধু শাহ দাউদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৬০। হযরত বাবা আইনুদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি।

সূত্র: হযরত বুরহান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনী গ্রন্থ গোলজারে আলম লেখ: ক্বারী মোহাম্মদ নূর উদ্দি চিশতী ৭০ পৃষ্ঠা হইতে ৭৩ পৃষ্ঠা পযর্ন্ত।

সংগ্রহ কারী: মুহম্মদ মেজবাহ উদ্দিন

ই-মেইল: islamicdocuments12@gmail.com

ওয়েব সাইট: https://islamicdocuments.wordpress.com/

]]>
https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/%e0%a7%a9%e0%a7%ac%e0%a7%a6-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b0/feed/ 0 93 islamicdocuments 360
ইমামে রব্বানী সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহুর নক্শবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার শাজরা শরীফ https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/90/ https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/90/#respond Wed, 06 Jan 2016 03:53:00 +0000 https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/90/

ইমামে রব্বানী সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহুর নক্শবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার শাজরা শরীফ

হাক্বীক্বী শান মুবারক জারি রয়েছে সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার আজিমুশ শান নূরানী সিলসিলা মুবারক উনার মাধ্যমে11053318_150078388658474_6479203407576069605_n

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম রহমত বরকত সাকীনা মুবারক উনার বদৌলতে আজো বিশ্বব্যাপী জারি রয়েছে ইমামে রব্বানী, কাইয়্যূমে আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহুর পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা। সুবহানাল্লাহ! ইনশাআল্লাহ ক্বিয়ামত পর্যন্ত তা ছহীহ তরতীবে জারি থাকবে সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, উনার সুমহান তরীক্বা শরীফ উনার ক্বায়িম-মাক্বাম আওলাদ পাক আজমাইন এবং উনার আকাবির খলীফা আজমাইন উনাদের মাধ্যমে পৃথিবীর আনাচে কানাচে সম্প্রসারিত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! তবে খুব কম খানকায়, কম সিলসিলায়, কম দরবারে গদ্দীনসীন ব্যক্তিবর্গ ইমামে রব্বানী, কাইয়্যূমে আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তর্জ-তরীক্বা মুতাবিক আমল আক্বীদা ইত্যাদি হুবুহু নকশায় জারি রেখেছেন। বরং প্রায় সকলেই বিভিন্নভাবে উনার তরীক্বার সবক, আমল আখলাক আদর্শ ইত্যাদিকে বিকৃত করেছে, অনেক কিছু ছেড়ে দিয়েছে কেউবা কমবেশি করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
বর্তমান যামানায় একমাত্র ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা কা’বা সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমে জারি রয়েছে ইমামে রব্বানী, কাইয়্যূমে আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহুর পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা। সুবহানাল্লাহ! আজিমুশ শান শানে জারি থাকা উনার মুবারক নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার সুমহান শাজরা শরীফ এখানে উল্লেখ করা হলো:-
১। ইলাহী বহুরমতে কুল-মাখলূক্বাতের নবী ও রসূল, হায়াতুন নবী, ছাহিবে ইলমে গইব, ছাহিবে মুত্তালা’ ‘আলাল গইব, জামিউল ইলম, ছাহিবে মাফাতীহুল ইলম, আল্হাদ্বির, আন্নাযির, ছাহিবে লাওলাক, ছাহিবে ক্বাবা ক্বওসাইনি আও আদনা, ছাহিবে কাওছার, ছাহিবে মাক্বামে মাহমূদ, ছাহিবে লিওয়ায়িল হামদ, ছাহিবে শাফাআতে কুবরা, ছাহিবে লাসতু কাআহাদিকুম, ছাহিবে মি’রাজ, ছাহিবে কুন ফা-ইয়াকুন, ছাহিবে ওয়াহয়ি, আশশারা’, আলগনিইইয়ু, রঊফুর রহীম, আত্ত্বাহির, আত্তইয়িব, শাফিউল উম্মাহ, খতীবুল আম্বিয়া ওয়াল উমাম, সাইয়্যিদুল মাখদূম, ছাহিবে জামিউল আসমা ওয়াছ ছিফাত, ফাদ্বলুল্লাহ, আকরামুল আওওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, ফখরুল আম্বিয়া, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
২। ইলাহী বহুরমতে ছাহিবু রসূলিল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছানী ইছনাইন, আরহামু উম্মাতিন নাবিইয়ি, আল আতীক্ব, আছছিদ্দীক্ব, আল আতক্বা, আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম।
৩। ইলাহী বহুরমতে ছাহিবু রসূলিল্লাহ হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত ইমাম ক্বাসিম বিন মুহম্মদ বিন আবূ বকর আলাইহিস সালাম।
৫। ইলাহী বহুরমতে ইমামুল মুহাক্বক্বিক্বীন, আওলাদু রসূলিল্লাহ, ইয়াদগারে নুবুওওয়াহ, ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম।
৬। ইলাহী বহুরমতে ইমামুল মুহাক্বক্বিক্বীন, আওলাদু রসূলিল্লাহ, ইয়াদগারে নুবুওওয়াহ, ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মূসা কাযিম আলাইহিস সালাম।
৭। ইলাহী বহুরমতে ইমামুল মুহাক্বক্বিক্বীন, আওলাদু রসূলিল্লাহ, ইয়াদগারে নুবুওওয়াহ, ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আলী রিযা আলাইহিস সালাম।
৮। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়েখ মা’রূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৯। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়েখ আবুল হাসান সাররী সাকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১০। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা সাইয়্যিদুত ত্বায়িফা জুনায়িদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১১। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আবূ আলী রোদবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১২। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়েখ আবুল ক্বাসিম নাসিরাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৩। ইলাহী বহুরমতে হযরত আবূ আলী দাককাক রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত ইমাম আবুল ক্বাসিম কুশাইরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৫। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আবূ আলী ফারমুদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* তিনি পঞ্চম হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পীর ছাহিব। তিনি হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও খিলাফত মুবারক পেয়েছেন। হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সুলত্বানুল আরিফীন হযরত খাজা বায়েজীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে রূহানী ফায়িয পেয়েছেন, যিনি ইমামুল মুহাক্বক্বিক্বীন, আওলাদু রসূলিল্লাহ, ইয়াদগারে নুবুওওয়াহ, ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খলীফা।
১৬। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আবূ ইউসুফ হামদানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৭। ইলাহী বহুরমতে খাজায়ে জাহাঁ হযরত আব্দুল খালিক্ব গুজদাওয়ানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৮। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আরিফ রেওগারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৯। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা মাহমূদ আনজীর ফাগনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২০। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আযীযানে আলী রামিতানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২১। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা মুহম্মদ বাবা সাম্মাসী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২২। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা সাইয়্যিদ আমীর কুলাল রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২৩। ইলাহী বহুরমতে খাজায়ে খাজেগাঁ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নক্শবন্দ বুখারী আল হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* তিনি পবিত্র নক্শবন্দিয়া তরীক্বা উনার সম্মানিত ইমাম। তিনি নবম হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ।
২৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আলাউদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২৫। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা ইয়া’কুব চরখী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২৬। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা উবায়দুল্লাহ আহরার রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২৭। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা মুহম্মদ যাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২৮। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা দরবেশ মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২৯। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা মুহম্মদ আমাকাংগী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩০। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা বাক্বী বিল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩১। ইলাহী বহুরমতে আফদ্বালুল আওলিয়া, ইমামে রব্বানী, ক্বাইয়ূমে আউয়াল, আজিমুল বারাকাত, গাউছুল সাক্বালাইন, খাযীনাতুর রহমাহ, মাখদূমে যামান, আল মুনাওওয়ার, খাজায়ে খাঁজেগা, আবুল বারাকাত বদরুদ্দীন শায়েখ আহমদ ফারূক্বী সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী সিরহিন্দী আল হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* তিনি সম্মানিত মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার ইমাম। তিনি পবিত্র নক্শবন্দিয়া তরীক্বা উনাকে এতদূর সংস্কার ও সম্প্রসারণ করেন; যা নতুন রূপ লাভ করে, পরবর্তী সময়ে তা পবিত্র মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা নামে মশহুর হয়। এই তরীক্বা উনাকে ‘পবিত্র নক্শবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া’ তরীক্বাও বলা হয়। তিনি একাদশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ।
৩২। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়েখ আদম বিন নূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩৩। ইলাহী বহুরমতে হযরত সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আকবরাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়েখ আব্দুর রহীম মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩৫। ইলাহী বহুরমতে রঈসুল মুহাদ্দিছীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* তিনি দ্বাদশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ।
৩৬। ইলাহী বহুরমতে হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩৭। ইলাহী বহুরমতে মুজাহিদে আ’যম, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ছাহিবুল আসরার, রূহুল হক্ব মুজাদ্দিদে মিল্লাত, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল হযরত শাহ সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী আলাইহিস সালাম।
* তিনিই ত্রয়োদশ হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ এবং সুপ্রসিদ্ধ ‘মুহম্মদিয়া তরীক্বা’ উনার সম্মানিত ইমাম।
৩৮। ইলাহী বহুরমতে কুতুবুল আকতাব হযরত মাওলানা শাহ ছূফী নূর মুহম্মদ নিজামপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৩৯। ইলাহী বহুরমতে ওয়াসিল বিল্লাহ, আশিক্বে রসূলিল্লাহ, কুতুবুল ইরশাদ হযরত মাওলানা শাহ ছূফী ফতেহ আলী বর্ধমানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* উনাকে রসূলে নোমা বলা হয়। কারণ তিনি অনায়াশে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক যিয়ারত করিয়ে দিতেন।
৪০। ইলাহী বহুরমতে আমীরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুজাদ্দিদে যামান, কুতুবুল আলম শাহ ছূফী আলহাজ্জ হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহিল মা’রূফ মুহম্মদ আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী আল হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* তিনি চতুর্দশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ।
৪১। (ক) ইলাহী বহুরমতে ওলীয়ে মাদারযাদ, কুতুবুল আলম, সুলত্বানুল আরিফীন, হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবূ নজম মুহম্মদ নাজমুস সায়াদাত ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
(খ) ইলাহী বহুরমতে, কুতুবুল আলম, ক্বাইয়ূমে যামান, শায়খুল মাশায়িখ, হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবূ নছর মুহম্মদ আব্দুল হাই ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৪২। ইলাহী বহুরমতে কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীক্বত, সুলত্বানুল আরিফীন, মাহিয়ে বিদয়াত, মুহইয়ে সুন্নাত, মুজাদ্দিদে যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা আলহাজ্জ হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।
* তিনি উপরোক্ত উনাদের দু’জন থেকেই খিলাফত প্রাপ্ত হন। তবে উনার প্রধান শায়েখ হচ্ছেন হযরত নাজমুস সায়াদাত ছিদ্দীক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
৪৩। ইলাহী বহুরমতে, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, গওছুল আ’যম, ইমামে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আরিফীন, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়ুল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ কিবলা কা’বা সাইয়্যিদুনা আস্ সাফফাহ আলাইহিস সালাম।
* তিনিই সারা বিশ্বে সমাদৃত, প্রশংসিত, গ্রহণযোগ্য ও হক্ব সিলসিলা “রাজারবাগ শরীফ”-উনার মহা সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। তিনিই হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীর মহান ‘মুজাদ্দিদ’।
আয় বারে ইলাহী! উনাদের উসীলায় আমাদের উপর আপনার খাছ রহমত, মুহব্বত ও মা’রিফত এবং নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ তাওয়াজ্জুহ, ফায়িয, যিয়ারত, মুহব্বত ও মা’রিফাত মুবারক দান করুন। পবিত্র সুন্নত উনার পূর্ণ পায়রবী করার তাওফীক দিন। যাহিরী ও বাতিনী দৃঢ়তা আর ইহকাল ও পরকালের সুস্থতা দান করুন। এই সকল সম্মানিত মহান বুযুর্গানে দ্বীন উনাদের ফুয়ূজাত, বারাকাত ও কামালাতের পূর্ণ হিসসা নছীব করুন। আমীন!

]]>
https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/90/feed/ 0 90 islamicdocuments 11053318_150078388658474_6479203407576069605_n
চিশতীয়া ত্বরীকা উনার সালিকগণের জন্য শাজরা শরীফ https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/ https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/#respond Wed, 06 Jan 2016 03:51:02 +0000 https://awliya.wordpress.com/?p=85 চীশতিয়া তরীক্বার শাজরা শরীফ

images (1)আজমীর শরীফ, ভারত।

بسم الله الرحمن الرحيم

كَشَجَرَةٍ طَيِّبَةٍ اَصْلِهَا ثَابِتٌ وَفَرْعُهَا فِىْ السَّمَاءِ.

১। ইলাহী বহুরমতে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

২। ইলাহী বহুরমতে আমীরুল মুমিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম।

৩। ইলাহী বহুরমতে হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ ওয়াহিদ বিন যায়িদ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৫। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ ফুযাইল ইবনে আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৬। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ ইব্রাহীম ইবনে আদ্হাম বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৭। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ হুযাইফা মারয়াশী রহমতুল্লাহি আলাইহি।৮। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ আমীনুদ্দীন হুবায়রা বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৯। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ আবূ ইবরাহীম ইসহাক্ব মামশাদ উলু দিনারী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১০। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আবূ ইসহাক্ব শামী চীশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১১। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আবূ আহমদ আবদাল চীশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১২। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আবূ মুহম্মদ চীশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৩। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা নাছীরুদ্দীন আবূ ইউসুফ চীশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন মওদূদ চীশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৫। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা হাজী শরীফ জিন্দানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৬। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
১৭। ইলাহী বহুরমতে সুলত্বানুল হিন্দ, খাজায়ে খাজেগাঁ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতী আজমীরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।* তিনি চীশতিয়া তরীক্বার ইমাম। তিনিই খাজা ছাহেব নামে মশহুর।

১৮। ইলাহী বহুরমতে কুতুবুয যামান হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

১৯। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা বাবা ফরীদুদ্দীন মাসঊদ গঞ্জে শকর রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২০। ইলাহী বহুরমতে সুলত্বানুল আওলিয়া মাহবূবে ইলাহী হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আওলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২১। ইলাহী বহুরমতে হযরত খাজা আঁখি সিরাজুদ্দীন উছমান আওদাহী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২২। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ আলাউল হক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৩। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ নূর কুতুবে আলম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৪। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ হুসসামুদ্দীন মানিকপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৫। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ রাযী হামিদ শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৬। ইলাহী বহুরমতে শায়খ হাসান বিন ত্বাহির রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৭। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ ক্বাযী খান আবূ ইউসুফ নাছিহী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৮। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি।

২৯। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ নাজমুল হক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩০। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩১। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ কুতুবুল আলম রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩২। ইলাহী বহুরমতে হযরত শাহ রফীউদ্দীন মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৩। ইলাহী বহুরমতে হযরত শায়খ আব্দুর রহীম মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৪। ইলাহী বহুরমতে রঈসুল মুহাদ্দিছীন মুজাদ্দিদে মিল্লাত হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৫। ইলাহী বহুরমতে হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৬। ইলাহী বহুরমতে আমীরুল মুমিনীন, মুজাদ্দিদে যামান হযরত শাহ সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৭। ইলাহী বহুরমতে কুতুবুল আকতাব হযরত মাওলানা শাহ ছূফী নূর মুহম্মদ নিজামপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৩৮। ইলাহী বহুরমতে ওয়াসিল বিল্লাহ, আশিক্বে রসূলিল্লাহ, কুতুবুল ইরশাদ হযরত মাওলানা শাহ ছূফী ফতেহ আলী বর্ধমানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।* উনাকে রসূলে নোমা বলা হয়। কারণ তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিয়ারত করিয়ে দিতে পারতেন।

৩৯। ইলাহী বহুরমতে আমীরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, মুজাদ্দিদে যামান, কুতুবুল আলম, শাহ ছূফী আলহাজ্জ হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহিল মারূফ মুহম্মদ আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪০। (ক) ইলাহী বহুরমতে ওলীয়ে মাদারজাদ, কুতুবুল আলম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবূ নজম মুহম্মদ নাজমুস সায়াদাত ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।(খ) ইলাহী বহুরমতে কুতুবুল আলম, ক্বাইয়ূমে যামান, শায়খুল মাশায়িখ, হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবূ নছর মুহম্মদ আব্দুল হাই ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪১। ইলাহী বহুরমতে কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীক্বত, সুলত্বানুল আরিফীন, মাহিয়ে বিদয়াত, মুহইয়ে সুন্নাত, মুজাদ্দিদে যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, আলহাজ্জ হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি।* তিনি উপরোক্ত উনাদের দুজন থেকেই খিলাফত প্রাপ্ত হন। তবে উনার প্রধান শায়খ হচ্ছেন হযরত নাজমুস সায়াদাত ছিদ্দীক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

৪২। ইলাহী বহুরমতে খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আযম, গাউছুল আযম, ইমামে আযম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আরিফীন, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউয়াল, ক্ববিইয়ুল আউয়াল, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সাইয়্যিদ মুহম্মদ দিল্লুর রহমান আলাইহিস সালাম।

  • তিনিই সারা বিশ্বে সমাদৃত, প্রশংসিত, গ্রহণযোগ্য ও হক্ব সিলসিলা রাজারবাগ শরীফ-এর সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। তিনিই হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দির মুজাদ্দিদ।

আয় বারে ইলাহী! উনাদের ওসীলায় আমাদের উপর আপনার খাছ রহমত, মুহব্বত ও মারিফত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ তাওয়াজ্জুহ, ফায়িয, যিয়ারত, মুহব্বত ও মারিফাত দান করুন। সুন্নতের পূর্ণ পায়রবী করার তাওফীক দিন। যাহিরী ও বাতিনী দৃঢ়তা আর ইহকাল ও পরকালের সুস্থতা দান করুন। এই সকল বুযুর্গানে দ্বীন উনাদের ফুয়ূজাত, বারাকাত ও কামালাতের পূর্ণ হিসসা নছীব করুন।

]]>
https://awliya.wordpress.com/2016/01/06/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/feed/ 0 85 islamicdocuments images (1)